ইসলামে দাসীদের পর্দার বিধান; উমার (রাঃ) কি পর্দা করলে দাসীদের প্রহার করেতেন?

ইসলামে দাসীদের পর্দার বিধান; উমার (রাঃ) কি পর্দা করলে দাসীদের প্রহার করেতেন?

ইসলামে দাসীদের পর্দার বিধান; উমার (রাঃ) কি পর্দা করলে দাসীদের প্রহার করেতেন?

ইসলাম সম্পর্কে নাস্তিকদের বহুল প্রচারিত অভিযোগগুলোর মধ্যে দাসপ্রথা অন্যতম। কুরআন ও হাদিসের বিভিন্ন অংশ প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করে তারা দাবি করার চেষ্টা করে যে, ইসলাম দাসপ্রথাকে অমানবিকভাবে সমর্থন করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই মুসলিম গবেষক, আলেম এবং ইসলামবিষয়ক লেখকরা কুরআন, সহীহ হাদিস ও ঐতিহাসিক তথ্যের আলোকে এসব অভিযোগের জবাব দিয়ে আসছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু নাস্তিক বক্তা নতুন করে দাবি করছেন যে, ইসলামে দাসী নারীদের পর্দার বিধান স্বাধীন নারীদের মতো নয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দাসী নারীরা নাকি মুখ, বুক বা স্তন খোলা রেখেই চলাফেরা করতেন এবং তাদের জন্য নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখাই যথেষ্ট ছিল। এই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তারা সাধারণত মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা থেকে উমার (রা.)-এর নামে বর্ণিত একটি রেওয়ায়াত উদ্ধৃত করেন, যেখানে বলা হয়েছে যে তিনি ঘোমটা পরিহিত এক দাসীকে প্রহার করে বলেছিলেন, স্বাধীন নারীদের সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।

প্রশ্ন হলো, এই বর্ণনাটি কতটুকু বিশুদ্ধ? এটি কি সত্যিই ইসলামের চূড়ান্ত বিধানকে প্রতিনিধিত্ব করে? নাকি এটি দুর্বল, প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন অথবা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে? এই নিবন্ধে আমরা কুরআন, সহীহ হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস ও ফকিহদের বক্তব্যের আলোকে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখব এবং প্রচলিত অভিযোগগুলোর তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন করব।

অভিযোগের উৎস;

উমর (রাঃ) ঘোমটা দেওয়া একজন দাসীকে দেখতে পেয়ে তাকে প্রহার করলেন। এবং বললেন, স্বাধীন নারীর সাদৃশ্য অবলম্বন করোনা। (( মুসান্নাফ ইবন আবি শায়বা; ৬/২৩৬ ))

মুক্তমণা নাস্তিকরা যে অভিযোগটি করে থাকে তা সত্য নয়। অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিসদের মতে এই হাদিস সহীহ নয়। বরং এই হাদিসের বিপক্ষে কুরআন ও সহীহ হাদিসে অসংখ্য দলিল রয়েছে। দাসপ্রথার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় দাসপ্রথার প্রচলন ইসলাম থেকে আসেনি এবং ইসলাম ছাড়া বাকি সকল ধর্মে ও মতবাদে দাস দাসীদের সাথে নির্মম আচরণ করা হতো এবং পাশবিক নির্যাতন চালানো হতো। এমনকি দাসীদের মানুষ হিসেবেও গণ্য করা হতোনা। ইসলাম একমাত্র ধর্ম যেখানে দাস দাসীদের সাথে ভালো আচরণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে এবং অন্য সকল স্বাধীন মানুষের মতো সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

দাসীদের পর্দার বিধান

পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. দাস-দাসীর হক ৫১৬১। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের দাস-দাসীর মধ্যে যারা তোমাদের খুশি করে তাদেরকে তোমরা যা খাও তা-ই খেতে দাও এবং তোমরা যা পরিধান করো তা-ই পরতে দাও। আর যেসব দাস তোমাদের খুশি করে না তাদেরকে বিক্রি করো। তোমরা আল্লাহর সৃষ্টিজীবকে শাস্তি দিও না। (( সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)| হাদিস:৫১৬১ | Sunan Abu Dawood, Hadith No. 5161 (hadithbd.com) ))

এই হাদিসে স্পষ্ট বলা হচ্ছে স্বাধীন ব্যক্তি যা খাবে, যা পরবে তাই দাস-দাসীদের খাওয়াতে হবে এবং পরাতে হবে। ইমাম আল হাফিজ ইবনুল কাত্তান আল ফাসি (র.) বলেছেন,

সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা সকল নারীর জন্য। স্বাধীন হোক বা দাসী, সমস্ত সাজ-সজ্জা প্রদর্শন করা পুরুষ বা মহিলা,নন-মাহরাম,আত্মীয় বা শ্বশুরবাড়ির সকলের জন্য। (( شبهات حول مسائل في الحجاب ، والإجابة عنها . - الإسلام سؤال وجواب (islamqa.info) ))

শাইখ নাসিরুদ্দিন আলবানির (র.) এর মতে, 

যেসব আলেমগণ স্বাধীন নারী ও দাসীদের পর্দার বিধান আলাদা মত দিয়েছে তাদের কারো মতামত সহীহ নয়। আশ্চার্যের বিষয় যে কোনো কোনো মুফাসসির যঈফ হাদিস দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। যার ফলে তাদের মতামত হলো (সূরা আহযাবের-৩৩ঃ৫৯) আয়াতে মু'মিনা নারী বলে স্বাধীন নারীদেরকে দাসীদের থেকে আলাদা করা হয়েছে। এবং তারা উল্লেখ করেছে যে দাসীদের পর্দার বিধান পুরুষের ন্যায় নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত। কিন্তু এই ব্যাপারে কুরআন ও সুন্নাহতে কোনো দলিল নেই। (( شبهات حول مسائل في الحجاب ، والإجابة عنها . - الإسلام سؤال وجواب (islamqa.info) ))

ইমাম ইবন তাইমিয়া(র.) এর মতে,

প্রতিষ্ঠিত অভিমত হলো দাসীর আওরাহ স্বাধীনা নারীর আওরাহর ন্যায়। ঠিক যেমনি একজন পুরুষ দাসের আওরাহ স্বাধীন পুরুষের আওরাহর ন্যায়। তবে দায়িত্ব ও কাজকর্মের জন্য যতটুকু দরকার ততটুকু প্রদর্শন করতে পারবে। তার বুক ও পিঠের বিধান হলো, সেগুলো থাকবে প্রতিষ্ঠিত অভিমত অনুসারে। (( শারহুল উমদাহ - ইমাম ইবন তাইমিয়া ২/২৭৫ ))

কাতার ভিত্তিক জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ একটি ফতোয়ার ওয়েভসাইটে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ফতোয়া হেডিং ও ফতোয়া নং, Fatwa No: 355954. (( No authentic evidence that slave women used to walk around bare-breasted )) এই ফতোয়াতে উল্লেখ করা হয়ছে, দাসী নারীদের বুক বা স্তন খোলা রেখে চলাফেরা করার পক্ষে বিশুদ্ধ কোনো প্রমাণ নেই।  ইমাম ইবন তাইমিয়া হতে বর্ণিত, আলী (রা.) বলেন,

দাসী নারীরা সালাতের সময় যে ধরণের পোশাক পরিধান করে বাহিরে বের হওয়ার সময়ও সে ধরণের পোশাক পরিধান করবে এবং এটা ভালো করেই জানা যে, দাসী নারীরা বুক ও স্তন খোলা রেখে বাহিরে যেত না। (( Sharh Al-‘Umdah ))

ইমাম মালিক (রা.) কে জিজ্ঞেস করা হলো,

কোনো দাসী নারী যদি বুক খোলা রেখে বাহিরে যায়, আপনি কি তাকে ঘৃণা করবেন ? তিনি বললেন "হ্যা। এবং এটা করলে আমি তাকে শাস্তি দেবো। (( মাওয়াহিব আল জালিল, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল মাগরিবি ১/১০৫ ))

উপরের হাদিস ও আলেমদের বক্তব্য থেকে কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। প্রথমত, ইসলাম দাস দাসীদেরকে সম্মানজনক পোশাক প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে, অপমানজনক বা অশালীন অবস্থায় রাখার নয়। দ্বিতীয়ত, দাসী নারীদের জন্য পর্দার বিধান স্বাধীন নারীদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল বা তাদের আওরাহ কেবল নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত ছিল, এমন দাবির পক্ষে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর কোনো নির্ভরযোগ্য দলিল নেই। তৃতীয়ত, দাসী নারীদের বুক বা স্তন খোলা রেখে জনসমক্ষে চলাফেরা করা ইসলামী শরিয়তের স্বীকৃত বিধান ছিল না এবং এটিকে গ্রহণযোগ্য প্রথা হিসেবেও প্রমাণ করা যায় না। বরং সামগ্রিক দলিল থেকে বোঝা যায়, দাসী নারীদের ক্ষেত্রেও শালীনতা, মর্যাদা ও পর্দার নীতিই মূলনীতি ছিল। কাজের প্রয়োজনে যতটুকু অনিবার্য, কেবল ততটুকুরই অবকাশ রয়েছে।

দাস দাসীকে প্রহার করলে তাকে মুক্ত করে দেওয়া অপরিহার্য

পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. দাস-দাসীর হক ৫১৬৭। মু’আবিয়াহ ইবনু সুয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমাদের এক দাসকে চড় মারলাম। আমার পিতা তাকে ও আমাকে ডেকে বললেন, তুমি তার থেকে প্রতিশোধ নাও। আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে মুকাররিন গোত্রের সাত ভাই ছিলাম। আমাদের মাত্র একটি খাদেম ছিলো। আমাদের মধ্যকার একজন তাকে চড় মারলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একে মুক্ত করে দাও। তারা বললো, এছাড়া আমাদের কোনো খাদেম নেই। তিনি বললেনঃ এরা স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত সে তাদের সেবা করবে। তারা স্বাবলম্বী হলে তাকে যেন মুক্ত করে দেয়া হয়। (( সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)| হাদিস:৫১৬৭ | Sunan Abu Dawood, Hadith No. 5167 (hadithbd.com)https://sunnah.com/urn/240810 ))
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. দাস-দাসীর হক ৫১৫৯। আবূ মাস’ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার এক ক্রীতদাসকে প্রহার করছিলাম। এ সময় আমার পিছন থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলাম, হে আবূ মাস’ঊদ! জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার উপর এর চেয়ে বেশী ক্ষমতাবান যতটুকু তুমি তার উপর ক্ষমতাবান। আমি পিছন থেকে তার এরূপ ডাক দু’ বার শুনতে পেলাম। আমি পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য স্বাধীন (আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম)। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি তাকে মুক্ত করে না দিতে তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাকে গ্রাস করতো। (( সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)| হাদিস:৫১৫৯ | Sunan Abu Dawood, Hadith No. 5159 (hadithbd.com) ))
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. দাস-দাসীর হক ৫১৬৬। হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সুয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রাঃ)-এর বাড়িতে থাকতাম। আমাদের সঙ্গে একজন কড়া মেজাজী বৃদ্ধ ছিলেন এবং তার সঙ্গে একটি দাসী ছিলো। তিনি তার চেহারায় চড় মারলেন। এ কারণে সুয়াইদ (রাঃ) এতটা উত্তেজিত হয়েছিলেন যে, আমরা তাকে এমন উত্তেজিত হতে আর দেখিনি। তিনি বলেন, একে আযাদ করা ব্যতীত তোমার জন্য অন্য কোনো পথ নেই। তুমি দেখছো যে, আমাদেরকে মুকাররিনের সাতটি সন্তান। আমাদের মাত্র একজন খাদেম ছিলো। আমাদের কনিষ্ঠ জন তার মুখে চড় মেরেছিল বিধায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তাকে আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। (( সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)| হাদিস:৫১৬৬ | Sunan Abu Dawood, Hadith No. 5166 (hadithbd.com) ))

উপরোক্ত হাদিসগুলো থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ইসলাম দাস বা দাসীদের প্রতি নির্যাতন কিংবা অন্যায়ভাবে প্রহার করাকে সমর্থন করেনি। বরং তাদের প্রতি অন্যায় আচরণকে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এমনকি একটি চড় মারার ঘটনাতেও দাস বা দাসীকে মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আল্লাহর শাস্তির কঠোর সতর্কবার্তা উচ্চারণ করা হয়েছে। এসব বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, ইসলাম দাস দাসীদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। তাই ইসলামে দাসীদের ওপর নির্যাতন বা প্রহারকে বৈধ কিংবা উৎসাহিত করা হয়েছে, এমন দাবি হাদিসের সুস্পষ্ট শিক্ষার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায়। ইসলামে দাসীদের পর্দা সম্পর্কে যেসব অভিযোগ নাস্তিকরা প্রচার করে, সেগুলো মূলত কিছু বিচ্ছিন্ন বর্ণনা এবং দুর্বল বা বিতর্কিত রেওয়ায়াতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ কুরআন, সহীহ হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের বক্তব্য একত্রে বিবেচনা করলে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চিত্র সামনে আসে।

ইসলাম কখনো দাসীদের অশালীনভাবে চলাফেরা করতে উৎসাহিত করেনি এবং বুক বা স্তন খোলা রেখে জনসমক্ষে বের হওয়াকে বৈধ ঘোষণা করেনি। বরং রাসুল ﷺ দাস দাসীদের মানুষের মর্যাদা দিয়েছেন, তাদেরকে নিজেরা যা খায় তা খাওয়াতে এবং নিজেরা যা পরিধান করে তা পরিধান করাতে নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি দাস বা দাসীকে অন্যায়ভাবে প্রহার করার ব্যাপারেও তিনি অত্যন্ত কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে দাসকে মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এসব দলিল থেকেই বোঝা যায়, ইসলামের মূলনীতি ছিল দাস দাসীদের মর্যাদা রক্ষা করা, তাদের অপমান করা নয়।

সত্য হলো, ইসলাম এমন একটি সমাজে এসেছিল যেখানে দাসপ্রথা ছিল গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত। সেই সমাজে দাসদের মানুষ হিসেবেও গণ্য করা হতো না। ইসলাম সেই ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করেনি। বরং ধীরে ধীরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে, তাদের মুক্তিকে উৎসাহিত করেছে এবং মানবিক মর্যাদা ফিরিয়ে দিয়েছে। তাই ইসলামের দাসপ্রথা সম্পর্কে আলোচনা করতে হলে বিচ্ছিন্ন উদ্ধৃতি নয়, বরং কুরআন, সহীহ সুন্নাহ এবং ইসলামের সামগ্রিক নীতিমালার আলোকে বিষয়টি মূল্যায়ন করাই ন্যায়সংগত ও বস্তুনিষ্ঠ পদ্ধতি।

Leave a Comment